হাতিয়া-নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিশাল পরিকল্পনা।

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৮:৩৫ অপরাহ্ণ | 32 বার

হাতিয়া-নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিশাল পরিকল্পনা।

নাজিম উদ্দিন মিলন:চিত্রল হরিণ ও মায়া হরিনের, মায়া ডাকের নিঝুম দ্বীপে। সবুজ পত্র পল্লবে আচ্ছাদিত উত্তাল সাগরের কোলে সবুজ ঘেরা এক মায়াবী ভূখন্ড- “নিঝুম দ্বীপ”। দ্বীপের সৈকতে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত, চিত্রল, মায়া ও অন্যান্য জাতের হরিণের ছোটাছুটি আর কেওড়া, বাইন, গেওয়া বন বারবার ডাকে নিরল-নিঝুম দ্বীপটিতে ছুটে যেতে। কিন্তু ইচ্ছে করলেও থাকা-খাওয়া আর যাতায়াতের চিন্তায় অনেকেই নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ উপজেলার এই সবুজ দ্বীপে যেতে পারেন না।
এসব অসুবিধা দূর করে নিঝুম দ্বীপ ও হাতিয়াকে নিয়ে পর্যটন আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু বানাতে বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।  দেশি পর্যটকদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকরাও যেন ছুটে যান হাতিয়া হয়ে নিঝুম দ্বীপে, সেজন্য সরকার দ্বীপ দু’টিকে ঘিরে ইকো-ফ্রেন্ডলি (ঐতিহ্য-প্রকৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে) পর্যটন  কেন্দ্র গড়ে তোলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।Pic-01 (1)
বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের গৃহীত এক প্রকল্পের আওতায় দ্বীপ দু’টি ঘিরে পর্যটকদের জন্য মানসম্মত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পর্যটনের যাবতীয় সুবিধা, তথা ক্যাটারিং, পিকনিক শেড, কিডস কর্নার, বিনোদন পার্ক, ইয়ুথ ইন, কনফারেন্স হল, ওয়াচ টাওয়ার, কৃত্রিম লেক, রিভার ক্রুজ পরিচালনার জন্য ক্রুজ ভ্যাসেল, বার-বি-কিউ শেড, সার্ভিস ব্লক ইত্যাদি থাকবে এই দুই দ্বীপে। পুরো এলাকায় জোরদার করা হবে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাও।
৪৮ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে চলতি  ফেব্রæয়ারি থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে হাতিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ২ হাজার ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায়। প্রকল্প বাস্তবায়নে গেলে স্থানীয় জনগণের স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা করা হচ্ছে। নিঝুম দ্বীপের সবুজ মায়া প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার হাতিয়া-নিঝুম দ্বীপ ঘিরে পর্যটন আকর্ষণের অন্যতম একটি কেন্দ্র গড়তে চাইছে। নিঝুম দ্বীপ ঘুরে যেন পর্যটকেরা হাতিয়ায় উন্নত পরিবেশে থাকতে পারেন, খেতে পারেন সে ব্যবস্থা করা হবে। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, কেওড়া, বাইন, গেওয়া বনের নিঝুম দ্বীপে ২২ হাজার।
এছাড়া হাতিয়ার বর্তমান রানৈতিক ময়দানে আলোচিত ব্যক্তি বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা, মাহমুদ আলী রাতুল সাহেব নিঝুম দ্বীপ ও হাতিয়ার সৌন্দর্য্যময় রূপ নিয়ে এবং এর সঠিক ব্যবহার উপযোগী করে পর্যটক আকৃষ্ট করতে নানান পদক্ষেপের কথা উল্যেখ করেন। তিনি বলেন যদি আল্লাহর রহমতে তিনি হাতিয়ার জনগনের সেবা করার সুযোগ পান তাহলে হাতিয়ার সার্বিক উন্নয়নের পাশা-পাশি সবুজ শ্যামল নদী কোলে অবস্থিত সাগর কন্যা হাতিয়াকে পর্যকটদের পছন্দের স্থান হিসাবে গড়ে তুলবেন।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে মুজিব সেনাকে বানানো হচ্ছে জিয়ার সৈনিক!

২০১১-২০১৬ | বিবিসিজার্নাল.ডটকম'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com