জীবন যাপন

হঠাৎ শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

রবিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০১৭ | ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ | 248 বার

হঠাৎ শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
রাজধানীর ডেমরায় কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল। ছবি: ফোকাস বাংলা

শীত মৌসুম শেষ হতে বাকি মাসখানেক। এরমধ্যে পুরো পৌষ মাসেও শীতের তেমন তীব্রতা লক্ষ্য করা যায়নি। তবে মাঘের শুরুতেই হঠাৎ করে জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে শীত। দেশব্যাপী শৈত্য প্রবাহের হঠাৎ আক্রমণে বিপর্যন্ত হয়ে উঠেছেন মানুষ। বিশেষ করে উত্তরের জনপদ ও গ্রামীণ মানুষের অবস্থা জবুথবু।

শনিবার চুয়াডাঙ্গা, পাবনা, টাঙ্গাইল, শ্রীমঙ্গল, নীলফামারী, পঞ্চগড় এবং দিনাজপুর জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তীব্র শৈত্য প্রবাহ।  শৈত্য প্রবাহের সঙ্গে বইছে উত্তরের শীতল বাতাস। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শনিবার দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

living_6(1)

শীতে বিপর্যস্ত শহুরে জনপদ। সংগৃহীত ছবি

এছাড়া  বরিশাল বিভাগ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সীতাকুন্ড, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি আকারে শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া শৈত্য প্রবাহ কিছুদিন অব্যাহত থাকবে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

শনিবার খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বরিশালের ভোলায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতেও তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছে। সিলেটের শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

তবে দেশের তাপমাত্রা বেশি চট্টগ্রামের হাতিয়া, কক্সবাজার, কুতুবদিয়া এবং টেকনাফ। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এদিকে, শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ২ এবং সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র আরও জানিয়েছে, চট্টগ্রামের কিছু এলাকা বাদে পুরো দেশের তাপমাত্রা কমে গেছে। এ অবস্থা ৪ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত থাকবে।

ইউজিসি স্বর্নপদক পাচ্ছেন নোবিপ্রবির অধ্যাপক

২০১১-২০১৬ | বিবিসিজার্নাল.ডটকম'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com