বিবিসি বাংলার খোঁড়া যুক্তি

বুধবার, ০৪ এপ্রিল ২০১৮ | ৩:৫৩ অপরাহ্ণ | 179 বার

বিবিসি বাংলার খোঁড়া যুক্তি

১ এপ্রিল থেকে ‘প্রভাতী’ ও ‘পরিক্রমা’ অধিবেশন দুটি বন্ধ করার মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করছে বিবিসি বাংলা। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি হল- বাংলাদেশে বেতারের শ্রোতা ক্রমশ কমছে। তাই তারা বেতার অনুষ্ঠান কমিয়ে টেলিভিশন অনুষ্ঠানের প্রতি জোর দিচ্ছে।
কিন্তু আমরা শ্রোতারা তা মনে করি না। আমরা মনে করি, বেতারের শ্রোতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিবিসি কর্তৃপক্ষ যদি বাজেট-স্বল্পতা দেখাতেন, তবুও না হয় তা মানা যেত। কিন্তু এ খোঁড়া যুক্তি আমরা কিছুতেই মানতে পারছি না। তাদের এ সিদ্ধান্ত সঠিক নয় বলে মনে করেন অধিকাংশ শ্রোতা। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিবিসি হল একটি মানদণ্ড। কোনো সংবাদমাধ্যমকে কতটা বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে- এ প্রশ্নের সরল জবাব হল, বিবিসির মতো। তাই বিবিসি কর্তৃপক্ষকে বলছি- আপনাদের এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন এবং ভাবুন, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এ সংবাদ মাধ্যমের নাম জড়িত। বেতার ও টেলিভিশন কখনই এক হতে পারে না। যুগ যুগ ধরেই বিবিসি বাংলাদেশে জনপ্রিয়। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানুষের আস্থার জায়গা ছিল বিবিসি। বাংলাদেশের অনেক জায়গায় বিবিসি বাজার নামে হাটবাজার গড়ে উঠেছে। আমাদের পার্বতীপুরেও বিবিসি মোড় নামে জায়গা আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসি শোনার নিরাপদ স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছিল এসব বিবিসি বাজার। এখন মানুষ একাধিক পত্রিকা পড়ে ও একাধিক টিভি চ্যানেল দেখে তারপর নিজের মতো করে ভেবে নেয়। কিন্তু বিবিসি মানেই এখনও আস্থা ও নির্ভরতার শেষ কথা। গ্রামে এখনও যে ব্যক্তি সব খবরাখবর রাখেন ও সেগুলো সবাইকে জানান- তাকে ‘বিবিসি’ নামে ডাকা হয়! একটি গণমাধ্যমের ওপর মানুষের এ ধরনের আস্থা ও বিশ্বাস রীতিমতো অবিশ্বাস্য। গণমাধ্যমের আস্থাহীনতার এ সময়ে বিবিসির প্রতি মানুষের আস্থা ছোট করে দেখার উপায় নেই। তাই অবিলম্বে সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসার জন্য বিবিসি কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ রাখছি। মন-তার আন্তর্জাতিক বেতার শ্রোতা সংঘ,পার্বতীপুর, দিনাজপুর

সূত্র:যুগান্তর অনলাইন

নোয়াখালীতে আ. লীগের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৪০(ভিডিও)সহ

২০১১-২০১৬ | বিবিসিজার্নাল.ডটকম'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com