পঞ্চগড়ে অবৈধ ইট ভাটায় সয়লাভ দেখার কেউ নেই!

সোমবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ২:৩০ অপরাহ্ণ |

পঞ্চগড়ে অবৈধ ইট ভাটায় সয়লাভ দেখার কেউ নেই!

অবৈধ ইটভাটা সয়লাভ দেখার কেউ নেই। প্রশাসনের চোখের সামনে জেলা জুড়ে নেই আইনের কোনো তোয়াক্কা। বাংলাদেশের অনের জেলায় ইট ভাটার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেওয়া হয় কিন্তু পঞ্চগড়ে দেখার কেউ নেই। হেক্টরের পর হেক্টর জমির ওপরের স্তর ভাটার পেটে যাওয়ায় কমছে জমির উব্রর শক্তি। কিছু নিম্নমানের কয়লা পোড়ানো হচ্ছে বাকি সবই বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের লাকরী, কাঠ ও বাঁশের মোথা পোড়ানোয় বাড়ছে পরিবেশ দূষণ। নষ্ট হচ্ছে ফসলের জমি, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হাজারও কৃষক ধ্বংস হচ্ছে বনায়ন। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের খোলা পাড়ায় এ এস কে ব্রিক্স ( ড্রাম ভাটা) দিব্বি চালিয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ ইটভাটা গড়ে উঠেছে লোকালয়ে। বাদ পড়েনি বিদ্যালয়ের আঙিনায়ও। ফসলি জমি উজাড় করে নতুন নতুন ইটভাটা গড়ে উঠছে এ অঞ্চলে। ড্রাম ভাটা ফসলহানি, জমি উর্বর শক্তি ছাড়াও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ। সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে বছরের পর বছর আইন অমান্য করলেও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা নিচ্ছে না জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টরা। তথ্যমতে, বর্তমানে ইট ভাটা ৪০ টির মধ্যে ১৭ টির পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র থাকলেও জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে নিবন্ধন দিয়েছে ২৫ টির । ইট ভাটা কতৃপক্ষ ৮-১০ বছর ধরে নবায়ন ছাড়াই দিব্বি চলছে এ সব ইটভাটা। এতে কিছু অসাধু ব্যক্তি সুবিধা নিচ্ছে আর কতৃপক্ষের অবহেলায় রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এগুলোর দু-একটির বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যে শাস্থিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হলেও বেশির ভাগই নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কে কত গুলো ইট পোড়াবে তারও কোন হিসাব নাই কতৃপক্ষের কাছে। কতৃপক্ষ বার বার বিষয়টি নজরে আনলেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ইট প্রস্তুতকরণ ও ভাটা স্থাপন-সংক্রান্ত জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ছাড়া ভাটা স্থাপন ও ইট পোড়ানো নিষিদ্ধ। এ আইন লঙ্ঘনকারী এক বছরের কারাদন্ড অথবা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। চলবে।

২০১১-২০১৬ | বিবিসিজার্নাল.ডটকম'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com