পঞ্চগড়ের স্থলবন্দরটি আজও মোবাইল নের্টওয়াকের আওতায় আসেনি

মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০১৯ | ২:৫৪ অপরাহ্ণ |

পঞ্চগড়ের স্থলবন্দরটি আজও মোবাইল নের্টওয়াকের আওতায় আসেনি

দেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত তেতুঁলিয়ায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি আজও মোবাইল নের্টওয়াকের আওতায় আসেনি। অথচ এই স্থলবন্দরে বছরে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। ব্যবসাবান্ধব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটির ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ী। বিগত ১৯৯৭ ইং সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্থল শুল্ক স্টেশন হিসেবে সে সময় শুধুমাত্র নেপালের সাথে সীমিত পরিসরে বানিজ্য পরিচালনার জন্য স্টেশনটিকে ব্যবহার করা হতো। এরপর ত্রি-মুখী বানিজ্য সম্ভাবনা দ্বার উম্মোচিত হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার এই স্থল শুল্ক স্টেশনটিকে অভ্যন্তরীন বন্দরে পরিনত করে। এরপর ২০১১ ইং সালে জোরে শোরে ভারত বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে বানিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ২০১৭ ইং সালের ১ জানুয়ারী ভূটান বাংলাদেশের সাথে বানিজ্য কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাবান্ধাস্থলবন্দর হতে ভারতের শিলিগুড়ির দুরত্ব ৮ কিলোমিটার। ভারতের দার্জিলিং ৮৫ কিলোমিটার ও নেপালের কঙ্কর ভিটা ৫৯ কিলোমিটার এবং ভূট্রানের দুরত্ব ১২০ কিলোমিটার। পঞ্চগড় জেলার এই বাংলাবান্ধা বন্দরটি শুধু আঞ্চলিক বানিজ্য উন্নয়ন নয়, পর্যটন খাতের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের এই বন্দরটি পরাশক্তি চীনের সাথে সহজেই বানিজ্য কার্য়ক্রম করতে পারে। ভৌগলিক ভাবে বাংলাবান্ধাবন্দরটি দেশের অন্যতম বন্দর। সময়ের সাথে বাংলাদেশের বানিজ্য প্রসারে ভারত, নেপাল ভূটান এবং চীন স্ব স্ব অবস্থান থেকে বানিজ্য প্রসারে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। চতুর্থদেশীয় শুল্ক স্টেশন হতে পারে বাংলাবান্ধাবন্দরটি। এছাড়া যে সব পর্যটক দার্জিলিং,নেপাল, ভূট্রান ভ্রমন করতে আগ্রহী, তারা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরকে বেছে নেন।প্রায় প্রতিদিন বাংলাবান্ধাবন্দর দিয়ে পর্যটক সহ দু’শতাধিক মানুষ ভারতের শিলিগুড়ি ,চেন্নাই, ভেলর, কলকাতা, নেপাল এবং ভূট্রান যাতায়াত করেন।এক সময় এই বন্দরটি ভৌগলিক কারনে দেশের অন্যসব বন্দরে চেয়ে অন্যতম হয়ে উঠবে বাংলাবান্ধাবন্দর। অথচ বাংলাবান্ধাস্থল বন্দরটিতে মোবাইল নের্টওয়াকের আওতায় নেওয়া হয়নি এখনো।দেশের গুরুত্বপূর্ন এই বন্দরটি দেশের অর্থনীতি সহ পর্যটকদের কাছে অর্থবহ। ৭১’এ বাংলাদেশের মুক্তাঞ্চল হিসেবে পরিচিত তেতুঁলিয়া একটি গুরুত্বপূর্ন এলাকা। ভারত বাংলাদেশের পরম বন্ধু হিসেবে পরিচিত। অথচ বাংলাবান্ধায় ভারতের মোবাইল নের্টওয়াক সক্রিয় থাকলেও বাংলাবান্ধাস্থল বন্দর সীমানায় বাংলাদেশে কোন মোবাইল নের্টওয়াক নেই। কিন্তু স্থলবন্দরটি সময় পেরিয়ে গেছে, ২১ টি বছর। গোটা বাংলাবান্ধা এলাকা জুড়ে কোন মোবাইল কোম্পানীর নের্টওয়াক দেয়া হচ্ছেনা এখনো। বিষয়টি সরকারের উচ্চ মহল জ্ঞাত থাকলেও কোন সাড়া নেই। ব্যবসাবান্ধব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটির ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ী। বিগত ১৯৯৭ ইং সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্থল শুল্ক স্টেশন হিসেবে সে সময় শুধুমাত্র নেপালের সাথে সীমিত পরিসরে বানিজ্য পরিচালনার জন্য স্টেশনটিকে ব্যবহার করা হতো। এরপর ত্রি-মুখী বানিজ্য সম্ভাবনা দ্বার উম্মোচিত হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার এই স্থল শুল্ক স্টেশনটিকে অভ্যন্তরীন বন্দরে পরিনত করে। এরপর ২০১১ ইং সালে জোরে শোরে ভারত বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে বানিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ২০১৭ ইং সালের ১ জানুয়ারী ভূটান বাংলাদেশের সাথে বানিজ্য কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাবান্ধাস্থলবন্দর হতে ভারতের শিলিগুড়ির দুরত্ব ৮ কিলোমিটার। ভারতের দার্জিলিং ৮৫ কিলোমিটার ও নেপালের কঙ্কর ভিটা ৫৯ কিলোমিটার এবং ভূটানের দুরত্ব ১২০ কিলোমিটার।

২০১১-২০১৬ | বিবিসিজার্নাল.ডটকম'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com