নোয়াখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জলদস্যু কমান্ডার নিহত, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৪

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ | ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ | 420 বার

নোয়াখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জলদস্যু কমান্ডার নিহত, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৪

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় র‌্যাব-১১ এর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক জলদস্যু কমান্ডার নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি একনলা বন্দুক ও ছয় রাউন্ড কার্তুজসহ চার জনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর রাতে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শূন্যের চর গ্রামের সূর্যমুখী ঘাট এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহত জলদস্যু কমান্ডার মো. বাহার উদ্দিন (৪৩) উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরচর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

আটককৃতরা হলো, হাতিয়া উপজেলার বান্দাখালী গ্রামের বাদশা মাঝির ছেলে মো. ইউছুফ (৩৫), হাতিয়ার দক্ষিণ শান্তিপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল এর ছেলে আলাউদ্দিন (৪০), হাতিয়ার চর কৈলাস গ্রামের মো. আবুল হোসেন এর ছেলে মো. মুরাদ (৩০) ও রাজবাড়ি জেলার কালিয়াকান্দি থানার মো. শাহাদাত শেখ এর ছেলে মো. শান্ত শেখ (২০)।
অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার চার জন

র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি জলদস্যু বাহার বাহিনীর কমান্ডার মো. বাহার উদ্দিন নদীতে ডাকাতি করার উদ্দেশে তার লোকজন নিয়ে বুড়িরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শূন্যের চর গ্রামের সূর্যমুখী ঘাট এলাকায় অবস্থান করছে। খবর পেয়ে, র‌্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বাহার বাহিনীর সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে বাহার উদ্দিন নিহত হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি এক নলা বন্দুক ও ছয় রাউন্ড কার্তুজসহ তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করা হয়।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, জলদস্যু বাহার বাহিনীর কমান্ডার মো. বাহার উদ্দিন এর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। অস্ত্রসহ গ্রেফতার তার চার সহযোগীকে হাতিয়া থানায় সোপর্দ করা ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তিনি আরও জানান, জলদস্যু কমান্ডার মো. বাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় অস্ত্র ও ডাকাতি আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

২০১১-২০১৬ | bbcjournal.com'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com