গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মশায় অতিষ্ট পৌরবাসী

রবিবার, ২৭ মে ২০১৮ | ৬:৩৮ অপরাহ্ণ |

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মশায় অতিষ্ট পৌরবাসী

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মশার কারনে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে পৌরবাসীর জীবন। ঘরে-বাইরে, স্কুল-কলেজ, রাস্তা-ঘাট সর্বত্রই বিরাজ করছে এখন মশার রাজত্ব। মশার দাপট আর মশাবাহিত রোগের শঙ্কায় ভুগছে পৌরবাসী।
পৌরবাসীর অভিযোগ, পৌর প্রশাসনের মশা নিধনে কোনো কার্যক্রম না থাকায় ব্যক্তিগত চেষ্টা আর মশার কামড় খেয়েই জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের। পৌরসভার মশা নিধন কার্যক্রম বন্ধের কারণে মশার জীবাণুবাহী রোগের ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে পৌর এলাকার হাজার হাজার মানুষ। এর মধ্যে মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সর্বোচ্চ শঙ্কায় রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের একাধিক ব্যাক্তি জানায়, আগে মাঝে মাঝে পৌরসভার উদ্দোগে মশা নিধনের স্প্রে করলেও বহুদিন হয়েছে এর প্রতিকারের কোনো পদক্ষেপই নেই। তাছাড়া বৃষ্টির কারনে মশার উপদ্রব দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর ফলে টুঙ্গিপাড়া পৌর এলাকার দখলদার এখন মশা।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের আরএমও জসিম উদ্দিন বলেন, বাড়ির আশে পাশের ফুলের টব, নারকেলের খোসাতে পানি ও ময়লা জমতে দেয়া যাবে না। কারন এ সব স্থানে মশার বংশ বৃদ্ধি ঘটে। আমরা মশা তাড়াতে বিভিন্ন কয়েল বা অ্যারোসল ব্যবহার করে থাকি এ গুলোও স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। এখানে পৌরসভা একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তারা ফগার মেশিনের সাহায্যে মশা নিধন করতে পারে।
টুঙ্গিপাড়া পৌর মেয়র শেখ আহম্মেদ হোসেন মির্জা বলেন, আমরা মশা নিধনের লক্ষ্যে খুব শিগগিরই পদক্ষেপ নিচ্ছি। এছাড়া মশা নিধনের যে মেডিসিন ছিল তা প্রয়োগ করে ভালো ফল না পাওয়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ মশা নিধনে অধিক কার্যকরী মেডিসিন সংগ্রহের চেষ্টা করছে।

২০১১-২০১৬ | বিবিসিজার্নাল.ডটকম'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com