জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে খুলনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় নদীর পাড় গুলোতো বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হচ্ছে৷

খুলনায় নদীর পাড়ে লাগানো হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২০ | ১২:১৮ অপরাহ্ণ | 125 বার

খুলনায় নদীর পাড়ে লাগানো হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে খুলনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় নদীর পাড় গুলোতো বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হচ্ছে৷

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে ঝপঝপিয়া ও ভদ্রার নদীর পাশে বৃক্ষরোপন করেন খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি।

এর আগে গত বুধবার (২৬ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা পওর বিভাগ- ২ এর বৃক্ষরোপন এর উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এ এইচ এম আনোয়ার পাশা ও খুলনা জেলা প্রশাসক ও মোহাম্মদ হেলাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে যাতে বনায়ন ও সবুজ বেষ্টনীর সৃষ্টি হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ১ কোটি গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম হাতে নেয় সরকার। এরই অংশ হিসাবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১০ লক্ষ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যে খুলনা পওর বিভাগ-২, (বাপাউবো) খুলনার অধীনে ঝপঝপিয়া ও ভদ্রা নদীর পাশে প্রায় ২ হাজার বৃক্ষের চারা রোপন করা হবে।

দেশের ভূ-প্রকৃতির অবস্থা পরিবেশ এর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের জন্য বন বিভাগ ও মন্ত্রণালয় কর্তৃক গাছের তালিকা হতে বৃক্ষের প্রজাতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে পাখিদের আহার ও বাসস্থানের উপযোগী, ছায়াদানকারী ক্যানোপি সৃষ্টি, লবণাক্ত পানির সহিষ্ণুতা এসকল বিষয়সমূহ লক্ষ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি চারা থেকে আরেকটি চারার দূরত্ব গাছের ক্যানোপি (পাতার বিস্তার) অনুযায়ী ৬.০০ মিটার বা ২০ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই বনায়নের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় কিছুটা সহায়ক হবে। তবে আঠারোবেঁকি নদীর বাকী অংশে নদীর উভয় পাশের খাস জমিতে আরো প্রায় এক লক্ষ গাছ লাগানো সম্ভব। এসব গাছ লাগানোর মাধ্যমে যেমন ভূমিদস্যুদের দখলমুক্ত থাকবে অন্যদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও দেশের জনগণের খাদ্য পুষ্টি চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বটিয়াঘাটা উপজেলার ভদ্রা নদী পাড়ের বাসিন্দা আইয়ুব আলী জানান, বৃক্ষ আমাদের পরম বন্ধ। নদীর পাড়ে গাছপালা কম থাকায় নদীর সেই সুন্দর্য চোখে পড়ে না। আমি সরকার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ধন্যবাদ জানায় কারন; তাদের এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির ফলে নদী ফিরে পাবে তার আসল রূপ।

খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি জানান, নদী ভাঙ্গন রোধে বৃক্ষের কোন বিকল্প নেই৷ ইতি মধ্যে আমরা নদীর দু’পাড়ে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষুধি গাছ রোপন করছি৷ আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

২০১১-২০১৬ | bbcjournal.com'র কোনো সংবাদ বা ছবি অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না

Development by: webnewsdesign.com